নাস্তার টেবিলে হঠাৎ করেই সেদিন লক্ষ্য করলাম, দাত কম থাকায় খেতে কষ্ট পাচ্ছেন মা। ৭০ ঊর্ধ্ব বয়স হলেও এখনো বকা খাওয়ার ভয়টা কাটেনি আমাদের কাররই। প্রতিদিন সকলে একত্রেই টেবিলে বসি নাস্তা করতে। তবে এভাবে কখনো লক্ষ্য করা হয়নি। এটা-সেটা মা সবকিছু নিজ হাতেই করেন। তবে এখন আর তেমন করে কিছু মনে রাখতে পারেননা তিনি। অবসর পেলে আমার বানানো Monopoly নিয়ে একাই সময় কাটান। আমাদের জীবনে বার্ধক্য কেন আসে প্রশ্নটা এলো সেদিনি। সেটি উপলব্ধি ছিল কিনা তাও জানিনা।
জীবনে কেন বার্ধক্য আসে -এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাতো অনেকি মেলে। তবে এর উদ্দেশ্যটা কি! এটাকি আমাদের কোন শিক্ষা না আমাদের বাল্য এবং যৌবনকালের মূল্যবোধকে জাগ্রত করণ। সেটি যাইহোক, একজন মা তার সন্তানদের যেভাবে লালন-পালন করেন এবং যতটা ত্যাগ গ্রহন করেন, তার কতখানি আমরা পারি! বা সবকিছু করার পরেও কতখানি করা হবে! একটি যথার্থই উদ্ধৃতি রয়েছে - গায়ের চামড়া কেটে মায়ের পাদুকা বানালেও সে ঋণ কখনই শোধযোগ্য নয়।
তাকে খুশি রাখতে পারি এটিই হোক সকলের কাম্য।
No comments:
Post a Comment