না, এটি ১৬ই ডিসেম্বর -এর কোন কালরাত্রির ঘটনা অথবা কোন গল্প নয় বরং ঘটনাটি শুক্রবার দিবাগত রাতের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস তথা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামছুল হক টুকুর, পাবনার নিজস্ব ৪তলা বাসভবনের। কে বা কারা এসে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ঘটনাটি ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। তার অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই পুলিশ আসার পর আমরা বিল্ডিং -এর সকলেই একসাথে বেড়িয়ে পরি। দেখা গেল ২য় তলায় এবং নিচে আগুন জলছে। প্রতিবেশী একজন দ্রুত বালতি হাতে কল থেকে পানি তুলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। আমি মোবাইল হাতে প্রস্তুতি নিচ্ছি ফায়ার সার্ভিসকে খবরদিতে। পানি নেভানোর কাজটি যদি আর কিছুক্ষন পর শুরু করতেন তবে আমাকে অবশ্যই ফায়ার সার্ভিসে খবরদিতে হতো।
যাইহোক, আমরা প্রত্যেকেই খুব সহজেই ধারণা করতে পারলাম যে, কে বা কাদের দ্বারা ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে। জনসাধারণ কাউকে বিচার করেন তার কর্মকাণ্ড দ্বারা যেটা দলীয় কোন ব্যাক্তি করেননা। কৃত কাজ খারাপ হলে, কোন দলের কাছে সেটি খারাপ না হলেও জনসাধারণের চোখে কিন্তু কাজটি খারাপই রয়ে যায়। খারাপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের কাছে কোন দল নিশ্চয়ই ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারেননা।
আমরা জনসাধারণ প্রত্যেকেই কিন্তু প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি পরিহারের প্রত্যাশায়। কোন একজন বলেছিলেন, যারা অর্থের পেছনে না ছুটে, কর্মের পেছনে ছোটেন, অর্থ তাদের পেছনে ছোটে। ঠিক একি ভাবে যদি বলি, আপনারা ক্ষমতার পিছে না ছুটে জনগণের সেবা করুন, দেখবেন জনগণ আপনাদের হাতেই বারবার ক্ষমতা প্রদান করবেন। একথা কখনই অস্বীকার করতে পারবেননা যে, সকল ক্ষমতার উৎস
